,

অসমের উন্নয়ন রোডম্যাপ নিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তের বৈঠক

শিল্প, পরিকাঠামো, কর্মসংস্থানে জোর, জুলাইয়ের বাজেটের আগে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা বরাককণ্ঠপ্রতিবেদন: অসমের উন্নয়ন ও আগামী দিনের অর্থনৈতিক রোডম্যাপ নিয়ে শুক্রবার নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বৈঠকে গত পাঁচ বছরে অসমকে কেন্দ্রের তরফে দেওয়া ধারাবাহিক আর্থিক ও প্রশাসনিক সহযোগিতার জন্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। জানা গেছে, অসমের আগামী…

শিল্প, পরিকাঠামো, কর্মসংস্থানে জোর, জুলাইয়ের বাজেটের আগে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা

বরাককণ্ঠপ্রতিবেদন: অসমের উন্নয়ন ও আগামী দিনের অর্থনৈতিক রোডম্যাপ নিয়ে শুক্রবার নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বৈঠকে গত পাঁচ বছরে অসমকে কেন্দ্রের তরফে দেওয়া ধারাবাহিক আর্থিক ও প্রশাসনিক সহযোগিতার জন্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী।

জানা গেছে, অসমের আগামী কয়েক বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বিভিন্ন পরিকাঠামোগত প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম ‘গ্রোথ ইঞ্জিন’ হিসেবে অসমকে আরও শক্তিশালী করে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

জুলাইয়ের বাজেট অধিবেশন সামনে রেখে আলোচনা
উল্লেখ্য, আগামী জুলাইয়ে অসম বিধানসভার পূর্ণাঙ্গ বাজেট অধিবেশনকে সামনে রেখেও বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। রাজ্যের আর্থিক অগ্রাধিকার কী হবে, কোন কোন খাতে বেশি বরাদ্দ প্রয়োজন, কীভাবে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সেই বিষয়গুলিও গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এছাড়াও জাতীয় সড়ক, শিল্প, নগর পরিকাঠামো, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা এবং কেন্দ্রীয় সহায়তায় চলা বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাণিজ্যিক যোগাযোগ ও শিল্প সম্প্রসারণে অসমকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসে।

তাৎপর্যপূর্ণ বৈঠক
জুলাইয়ের পূর্ণাঙ্গ বাজেট অধিবেশনের আগে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ আগামী অর্থবছরে সরকারের উন্নয়নমূলক অগ্রাধিকারের দিকনির্দেশ অনেকটাই এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার উপর নির্ভর করবে। বিশেষ করে শিল্প, পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে নতুন প্রকল্প বা অতিরিক্ত আর্থিক বরাদ্দ নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *