,

মেয়াদ শেষে বিধানসভা ভাঙলেন রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারালেন মমতা,২ দিন রাষ্ট্রপতি শাসন রাজ্যে 

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: মেয়াদ শেষ হতেই রাজ্যপাল আর এন রবির নির্দেশে বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হল এবং মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়াল বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। তৃতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মেয়াদ ৭ মে পর্যন্ত ছিল, মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী আর কোনও কার্যকারিতা থাকল না। ভোটে পরাজয়ের পরও কারচুপির অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন তিনি ইস্তফা দেবেন না এবং…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: মেয়াদ শেষ হতেই রাজ্যপাল আর এন রবির নির্দেশে বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হল এবং মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়াল বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। তৃতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মেয়াদ ৭ মে পর্যন্ত ছিল, মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী আর কোনও কার্যকারিতা থাকল না। ভোটে পরাজয়ের পরও কারচুপির অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন তিনি ইস্তফা দেবেন না এবং রাজভবনে যাবেন না, তিনি বলেছিলেন “আমরা তো হারিনি, ভোট লুট করে হারানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক।” নিয়ম অনুযায়ী ইস্তফা না দিলেও মেয়াদ শেষে মুখ্যমন্ত্রীর পদের গুরুত্ব থাকে না, তাই রাজ্যপালের নির্দেশের পর আনুষ্ঠানিকভাবে পদ না ছাড়লেও আর মুখ্যমন্ত্রী রইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন সরকার শপথ নেওয়া পর্যন্ত রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে এবং নির্বাচিত বিজেপি সরকার ৯ মে শপথ নেবে, ফলে আপাতত দু’দিনের জন্য রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের আওতায়। পরাজয়ের পর রাজভবনে গিয়ে ইস্তফা দেওয়াই রীতি হলেও মমতা মনে করেন বিজেপি লড়াই করে জেতেনি, জিতেছে কারচুপি করে, তবে রাজভবনের নির্দেশে সেই অবস্থানের কোনও সাংবিধানিক গুরুত্ব রইল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *