নয়াদিল্লি : আজ যন্তর মন্তরের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ডাকা বিক্ষোভ আজ। আর সেই বিক্ষোভ ঘিরেই দুর্গে পরিণত হয়েছে রাজধানী দিল্লি।
গতকাল রাত ১০টা থেকেই জনপথ-কর্তব্য পথ ক্রসিংয়ের চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধ জুড়ে ২৪ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ রাত ১০টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমোদন নিয়েই এই সিদ্ধান্ত।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ১০ দিন আগে আগাম নোটিশ দেওয়ার নিয়ম মানা হয়নি এবং আগের বিক্ষোভে নির্দেশিকা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। মধ্য দিল্লির একাধিক এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে। বিধি ভাঙলে কড়া আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি।
নিরাপত্তায় শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে ২৩ থেকে ২৬ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা। নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে ট্রেন ঢোকা বন্ধ করায় আজ কলকাতা-দিল্লি জোড়া রাজধানী এক্সপ্রেস সহ বহু ট্রেন বাতিল। মেট্রো পরিষেবাও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
এর প্রতিবাদে বিরোধীরা সুপ্রিম কোর্টে গেলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, ট্রেন ও মেট্রো পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। শীর্ষ আদালতের মন্তব্য, “মাছি মারতে কেউ হাতুড়ি চালায় না!”
এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় আবগারি দপ্তর গতকাল ও আজ দিল্লির সমস্ত মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।












