,

‘বাংলা বললেই বাংলাদেশি? মাছ-মাংসে নিষেধাজ্ঞা?’ বিভাজনের রাজনীতিকেই তৃণমূলের পতনের কারণ বললেন মোদি

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তর থেকে বিজয়বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরাসরি তৃণমূলের বিভাজনের রাজনীতিকে কাঠগড়ায় তুললেন এবং জানালেন, এই ভাঙনের খেলার কারণেই পশ্চিমবঙ্গ, কেরল ও তামিলনাড়ুতে সরকারের ভরাডুবি হয়েছে, তাঁর কথায়, “কখনও ভাষা নিয়ে বিবাদ, কখনও খাদ্যাভ্যাসকে হাতিয়ার করে সমাজকে ভাগ করার চেষ্টা, আবার কখনও নিজের দেশের মানুষকেই ‘বহিরাগত’ তকমা দেওয়া হয়েছে—এই বিভাজনের রাজনীতির…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তর থেকে বিজয়বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরাসরি তৃণমূলের বিভাজনের রাজনীতিকে কাঠগড়ায় তুললেন এবং জানালেন, এই ভাঙনের খেলার কারণেই পশ্চিমবঙ্গ, কেরল ও তামিলনাড়ুতে সরকারের ভরাডুবি হয়েছে, তাঁর কথায়, “কখনও ভাষা নিয়ে বিবাদ, কখনও খাদ্যাভ্যাসকে হাতিয়ার করে সমাজকে ভাগ করার চেষ্টা, আবার কখনও নিজের দেশের মানুষকেই ‘বহিরাগত’ তকমা দেওয়া হয়েছে—এই বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধেই জনতা সাফ জবাব দিয়েছে, মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছে, বিবাদ নয় বিকাশ চাই, বিভাজন নয় বিশ্বাস চাই”, মোদি আরও যোগ করেন, আজকের ভারত প্রগতি ও স্থিরতা চায়, চায় ঐক্যের রাজনীতি, ছাব্বিশের ভোটের আগে বাঙালি অস্মিতা, বহিরাগত তকমা ও আমিষ-বিরোধিতার অভিযোগ তুলে বিজেপিকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল, বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তার অভিযোগ থেকে শুরু করে ‘বিজেপি এলে মাছ-মাংস বন্ধ’—এমন প্রচারেও সরব হয়েছিল তারা, সেই অভিযোগের পাল্টা বিজেপি প্রার্থীদের মাছ হাতে প্রচার, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বাংলায় এসে ইলিশ-চিংড়ি খাওয়া, এমনকি প্রচারের শেষ লগ্নে প্রধানমন্ত্রীর ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে গিয়ে আমিষ ভোগের মন্দিরে পুজো দেওয়া—সবই ছিল তাৎপর্যপূর্ণ জবাব, এই তিন ইস্যুতেই বিজয়মঞ্চ থেকে জবাব দিয়ে মোদি বুঝিয়ে দিলেন, বিভাজনের রাজনীতি দিয়ে মানুষের মন জয় করা যায় না, বিকাশ আর বিশ্বাসই শেষ কথা বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *