,

লালকেল্লার মঞ্চে প্রথমবার ধ্বনিত হবে ‘বন্দে মাতরম’

১৫০ বছর পূর্তিতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, থিম ‘যুব শক্তি’ বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি : এবারের স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার অনুষ্ঠানে ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হবে লালকেল্লা থেকে। সোমবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই ঘোষণা করেছে। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানান, এ বছর বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। স্বাধীনতা আন্দোলনের…

১৫০ বছর পূর্তিতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, থিম ‘যুব শক্তি’

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি : এবারের স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার অনুষ্ঠানে ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হবে লালকেল্লা থেকে। সোমবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই ঘোষণা করেছে।

প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানান, এ বছর বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় যে গান কোটি মানুষের মনে আগুন জ্বালিয়েছিল, সেই গানকে সম্মান জানাতেই এই উদ্যোগ।

এতদিন লালকেল্লায় পতাকা উত্তোলনের পর শুধু ‘জনগণমন’ গাওয়া হত। এবার নিয়মে বদল আসছে। পতাকা তোলার আগেই গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’। তারপর পরিবেশিত হবে জাতীয় সঙ্গীত।

এবারের মূল ভাবনা ‘যুব শক্তি’
এ বছরের অনুষ্ঠানের কেন্দ্রে থাকবে দেশের তরুণরা। ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার কাজে ছাত্র-যুব সমাজের ভূমিকাকে তুলে ধরা হবে। সম্প্রতি নিট-কাণ্ড নিয়ে রাজধানী সহ গোটা দেশে ছাত্র বিক্ষোভ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও বারবার তরুণদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন। সেই আবহেই ‘যুব শক্তি’কে সামনে রাখার সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলছেন রাজনৈতিক মহল।

নতুন নিয়ম কী?
কেন্দ্র নতুন করে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার নিয়ম ঠিক করেছে—
১. সব সরকারি অনুষ্ঠান ও বিদ্যালয়ে ‘জনগণমন’-এর পরেই বাজবে ‘বন্দে মাতরম’।
২. রাষ্ট্রপতি কোনো অনুষ্ঠানে এলে তাঁর আসা-যাওয়ার সময় এই গান বাজাতে হবে।
৩. পদ্ম পুরস্কার সহ সব নাগরিক সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও থাকবে এই স্তোত্র।
৪. গাওয়ার সময় গানের ছ’টি স্তবকই গাইতে হবে। তবে সিনেমা হলে এটি বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

একনজরে ১৫০ বছরের ‘বন্দে মাতরম’
১৮৭৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গানটি লেখেন। ১৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে প্রথম প্রকাশ পায়। ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রকাশ্য সভায় প্রথম এটি গান। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রাণভোমরা হয়ে ওঠে এই স্তোত্র। কয়েকদিন আগেই এই গানের অবমাননাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিল পাস করেছে সংসদ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *