,

২০২৭ সালের জনগণনা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে কড়া নির্দেশিকা জারি করল কাছাড় জেলা প্রশাসন

গৃহতালিকা ও গৃহগণনা পর্বে নিযুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে পূর্বানুমতি ছাড়া কোনও ধরনের ছুটি মঞ্জুর করা যাবে না: প্রশাসন জনগণনা আইন অমান্য করলে হতে পারে আইনানুগ ব্যবস্থা জনসংযোগ। শিলচর : ২০২৭ সালের চলমান জনগণনা কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাছাড় জেলা প্রশাসন তাদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন সমস্ত বিভাগের উদ্দেশে একটি কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দেশিকায় জনগণনার…

গৃহতালিকা ও গৃহগণনা পর্বে নিযুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে পূর্বানুমতি ছাড়া কোনও ধরনের ছুটি মঞ্জুর করা যাবে না: প্রশাসন

জনগণনা আইন অমান্য করলে হতে পারে আইনানুগ ব্যবস্থা

জনসংযোগ। শিলচর : ২০২৭ সালের চলমান জনগণনা কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাছাড় জেলা প্রশাসন তাদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন সমস্ত বিভাগের উদ্দেশে একটি কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দেশিকায় জনগণনার কাজে নিযুক্ত সমস্ত আধিকারিক ও কর্মচারীকে জনগণনা আইন, ১৯৪৮-এর বিধান অনুযায়ী নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাঁদের ওপর অর্পিত কর্তব্য পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে, জনগণনার কাজে আইনানুগভাবে নিযুক্ত প্রত্যেক জনগণনা আধিকারিক ও কর্মচারীর কর্তব্য হল জনগণনা প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করা। যদি কোনও আধিকারিক বা কর্মচারী তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানান, যথাযথ নিষ্ঠার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন না করেন অথবা জনগণনা আইন, ১৯৪৮ এবং তার অধীন প্রণীত বিধি অনুযায়ী জারি করা আইনসম্মত নির্দেশ অমান্য করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনগণনা আইন, ১৯৪৮-এর ধারা ১১(১)(ক) অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি, দোষী সাব্যস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্ধারিত জরিমানার পাশাপাশি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডও ভোগ করতে হতে পারে।

একই সঙ্গে, ২০২৭ সালের জনগণনার প্রথম পর্যায় অর্থাৎ হাউস লিস্টিং অ্যান্ড হাউজিং সেন্সাস (এইচএলও) ফেজ–১-এ নিযুক্ত কর্মীদের বিষয়ে কাছাড় জেলার অধীনস্থ সমস্ত বিভাগীয় প্রধানদের জন্যও পৃথক নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশের আওতায় রয়েছেন মাস্টার ট্রেনার, ফিল্ড ট্রেনার, গণনাকারী (এনুমেরেটর), সুপারভাইজার এবং জনগণনার কাজে নিযুক্ত সংরক্ষিত কর্মীরাও।

নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, জনগণনার কাজে নিযুক্ত কোনও আধিকারিক বা কর্মচারীকে সংশ্লিষ্ট সক্ষম কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বা অনুমোদন ছাড়া কোনও অবস্থাতেই নৈমিত্তিক ছুটি (CL), অর্জিত ছুটি (EL), চাইল্ড কেয়ার লিভ (CCL) অথবা অন্য কোনও ধরনের ছুটি মঞ্জুর করা যাবে না। উল্লেখ্য, চলমান হাউস লিস্টিং ও গৃহগণনা পর্যায়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবলের নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কারণ, এই পর্যায়টি সমগ্র দেশের জনগণনা কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপগুলির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে জনগণনা ২০২৭-এর কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগ ও আধিকারিকদের এই নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *