,

‘বিকশিত ভারত’ গড়তে যুবশক্তিই ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

জন আন্দোলনের মাধ্যমে লক্ষ্যে পৌঁছানোর ডাক, কৃষি-গ্রামীণ উন্নয়ন ও খেলাধুলায় জোর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সংস্কার, দক্ষতা উন্নয়ন ও মাদক বিরোধী প্রক্রিয়ায় সমন্বয়ের নির্দেশ বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি: ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার স্বপ্নকে জন আন্দোলনে পরিণত করতে হবে এবং দেশের যুবসমাজই হবে এই লক্ষ্যের মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সব সংস্কারের কেন্দ্রে…

জন আন্দোলনের মাধ্যমে লক্ষ্যে পৌঁছানোর ডাক, কৃষি-গ্রামীণ উন্নয়ন ও খেলাধুলায় জোর

উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সংস্কার, দক্ষতা উন্নয়ন ও মাদক বিরোধী প্রক্রিয়ায় সমন্বয়ের নির্দেশ

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি: ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার স্বপ্নকে জন আন্দোলনে পরিণত করতে হবে এবং দেশের যুবসমাজই হবে এই লক্ষ্যের মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সব সংস্কারের কেন্দ্রে থাকতে হবে নাগরিকদের কল্যাণ।

আজ নয়াদিল্লিতে গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষি, সমাজকল্যাণ এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলির অগ্রগতি নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ক্যাবিনেট সচিব, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকরা।

বৈঠকে শ্রী মোদি বলেন, মানুষের প্রয়োজনকে সামনে রেখে তৈরি করা সংস্কারগুলিকে এবার বাস্তব গতি দিতে হবে এবং অর্থবহ রূপান্তর আনতে হবে। সংস্কারের উদ্দেশ্য শুধু সরকারি কাজের মান বাড়ানো নয়, বরং দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার যাত্রাকে ত্বরান্বিত করা।

তিনি বলেন, শাসন ব্যবস্থায় দ্রুত পরিবর্তন আসছে। এই গতিশীল পরিবেশের চাহিদা মেটাতে শাসন প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী ও খাপ খাওয়ানোর উপর জোর দেন তিনি। বিভিন্ন মন্ত্রক ও দপ্তরের উদীয়মান চাহিদাগুলির একটি সামগ্রিক ম্যাপিং করার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।

যুবসমাজের মধ্যে মাদকের ব্যবহারের মতো গুরুতর সমস্যা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শ্রী মোদি। তিনি বলেন, যুবকেন্দ্রিক উদ্যোগগুলিতে দপ্তরগত বিভাজন ভেঙে আরও বেশি সমন্বয় ও সংহতি আনার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে ‘হোল অফ গভর্নমেন্ট’ পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন তিনি। খেলাধুলার উন্নয়নে সমন্বিত পদ্ধতি গ্রহণের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, স্পোর্টস ট্যুরিজম এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। তাই ভারতের উচিত বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে নিজেকে বিশ্ব ক্রীড়া কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। খেলাধুলার ক্ষেত্রে স্টার্টআপের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার কথাও বলেন তিনি।

কৃষি ক্ষেত্রে পিএম কুসুম প্রকল্পের ব্যাপক প্রয়োগ কৃষিতে রূপান্তর আনতে পারে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ভবিষ্যতের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক সুযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে দক্ষতার বিশ্বমানের ম্যাপিং করার প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেন নরেন্দ্র মোদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *