,

নিট-কাণ্ডের দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন, শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নতুন দিল্লি: জাতীয় যোগ্যতা ও প্রবেশিকা পরীক্ষার পরিচালনায় অব্যবস্থা ও গাফিলতির নৈতিক দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী *ধর্মেন্দ্র প্রধানের* পদত্যাগ দাবি করলেন দেশের একদল বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক ও সমাজকর্মী। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকরাও এই দাবিতে সরব হয়েছেন। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাঠানো খোলা চিঠিতে তাঁরা বলেন, শিক্ষা ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মী সোনম…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নতুন দিল্লি: জাতীয় যোগ্যতা ও প্রবেশিকা পরীক্ষার পরিচালনায় অব্যবস্থা ও গাফিলতির নৈতিক দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী *ধর্মেন্দ্র প্রধানের* পদত্যাগ দাবি করলেন দেশের একদল বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক ও সমাজকর্মী। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকরাও এই দাবিতে সরব হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাঠানো খোলা চিঠিতে তাঁরা বলেন, শিক্ষা ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক গত ২০ দিন ধরে অনির্দিষ্টকালের অনশন করছেন। দিল্লির জন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা দলের প্রতিবাদে যোগ দিয়ে তিনি এই অনশন শুরু করেন। তাঁর দাবি, সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার গাফিলতির দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে পদ ছাড়তে হবে।

চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, গত ২০ দিনে সোনম ওয়াংচুকের শরীরের ওজন অনেক কমে গেছে। তাঁর জীবন এখন সংকটে। তাঁর সঙ্গে অনেক পড়ুয়াও অনশনে বসেছেন। তাঁদের স্বাস্থ্যও দ্রুত ভেঙে পড়ছে।

শিক্ষাবিদরা লিখেছেন, “যদি অনশনকারীদের কোনও ক্ষতি হয়, তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম এর সম্পূর্ণ দায় আপনার উপর চাপাবে। ক্ষমতায় থাকার জন্য মূল্যবান প্রাণ বলি দেওয়া অত্যন্ত লজ্জার। কিন্তু সরকারের ব্যর্থতার নৈতিক দায় নিয়ে পদত্যাগ করাটাই হবে সম্মানজনক কাজ।”

তাঁরা আরও বলেন, দল বা সরকারের নির্দেশ মানা এক বিষয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রত্যেককে নিজের কাজের দায় নিজেকেই নিতে হয়। তাই পড়ুয়াদের জীবন বাঁচাতে অবিলম্বে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।

যাঁরা চিঠিতে সই করেছেন
রমিলা থাপার, প্রভাত পট্টনায়েক, উৎসা পট্টনায়েক, জোয়া হাসান, সুনন্দা সেন ও সি পি চন্দ্রশেখর — সকলেই জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক-অধ্যাপিকা। এছাড়া রয়েছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা নীরা চন্দোকে এবং লেখক ও সমাজকর্মী জন দয়াল ও হর্ষ মন্দের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *