বরাকের ভাষা শহিদদের দাবিতে সরকারের নড়াচড়া, মাতৃভাষা সুরক্ষা সমিতির আন্দোলনে নতুন আশা

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন, শিলচর: বহু বছরের আন্দোলনের পর অবশেষে সরকারি স্তরে নড়াচড়া শুরু হয়েছে। বরাক উপত্যকা মাতৃভাষা সুরক্ষা সমিতি, কাছাড় জেলা কমিটি জানিয়েছে, আসাম সরকারের পলিটিক্যাল এ বিভাগ থেকে সম্প্রতি একটি চিঠি এসেছে। ওই চিঠিতে সমিতির পয়লা ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকপত্রকে গুরুত্ব দিয়ে বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগ, পলিটিক্যাল বি বিভাগ ও জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন, শিলচর: বহু বছরের আন্দোলনের পর অবশেষে সরকারি স্তরে নড়াচড়া শুরু হয়েছে। বরাক উপত্যকা মাতৃভাষা সুরক্ষা সমিতি, কাছাড় জেলা কমিটি জানিয়েছে, আসাম সরকারের পলিটিক্যাল এ বিভাগ থেকে সম্প্রতি একটি চিঠি এসেছে। ওই চিঠিতে সমিতির পয়লা ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো স্মারকপত্রকে গুরুত্ব দিয়ে বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগ, পলিটিক্যাল বি বিভাগ ও জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারিদের আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মালিগাঁওয়ের জেনারেল ম্যানেজার, হোম ও পলিটিক্যাল বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং সমিতির কাছাড় জেলা সভাপতি সুনীল রায়ের কাছে।

সমিতি দীর্ঘদিন ধরে আসামের বাঙালি ও অন্যান্য ভাষিক সংখ্যালঘুর মৌলিক সাংবিধানিক অধিকারের জন্য গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালাচ্ছে। ২০১৮ সালের ২৬ মার্চ তাদের বড় সাফল্য ছিল—প্রায় ষাট বছর পর বিধানসভায় ১৯৬১ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে নিহত বরাকের ভাষা শহিদদের নাম সরকারি বিবৃতিতে স্থান পায়। সমিতির সাম্প্রতিক স্মারকপত্রে তিনটি মূল দাবি রয়েছে। ভাষা আন্দোলনে শহিদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের আর্থিক সম্মাননা দেওয়া, বাংলাকে রাজ্য ভাষার মর্যাদা দেওয়া এবং শিলচর রেল স্টেশনের নাম বদলে ভাষা শহিদ স্টেশন, শিলচর রাখা। সমিতির সভাপতি সুনীল রায় আশা প্রকাশ করেছেন, সরকারের এই চিঠি দাবি পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে দেবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *