,

মন্ত্রীর পরিচিত হলেও ছাড় নেই, কাজে গাফিলতি হলেই দায়ের হবে অভিযোগ! জলসম্পদ বিভাগে কড়া নির্দেশ সুশান্ত বরগোহাঁইয়ের

বিশেষ প্রতিনিধি: বিগত পাঁচ বছরে রাজ্যের জলসম্পদ বিভাগে ব্যাপক নতুনত্ব আনতে সক্ষম হয়েছিলেন মন্ত্রী পীযূষ হাজরিকা। পীযূষ হাজরিকার মতোই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগটিতে কাজের গতি আনতে চলেছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী সুশান্ত বরগোহাঁই। দায়িত্ব নিয়ে প্রথম পর্যালোচনা বৈঠকেই কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের কড়া নির্দেশ দিলেন মন্ত্রী। জলসম্পদ বিভাগে কেউ কাজে গাফিলতি করতে পারবে না। ঠিকাদারকে মাথায় তুলে কাজ খারাপ করলেই…

বিশেষ প্রতিনিধি: বিগত পাঁচ বছরে রাজ্যের জলসম্পদ বিভাগে ব্যাপক নতুনত্ব আনতে সক্ষম হয়েছিলেন মন্ত্রী পীযূষ হাজরিকা। পীযূষ হাজরিকার মতোই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগটিতে কাজের গতি আনতে চলেছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী সুশান্ত বরগোহাঁই। দায়িত্ব নিয়ে প্রথম পর্যালোচনা বৈঠকেই কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের কড়া নির্দেশ দিলেন মন্ত্রী। জলসম্পদ বিভাগে কেউ কাজে গাফিলতি করতে পারবে না। ঠিকাদারকে মাথায় তুলে কাজ খারাপ করলেই প্রকৌশলী ও ঠিকাদার দুজনেরই বিপদ নিশ্চিত। বিভিন্ন সময় অভিযোগ ওঠে কমিশনের অঙ্কে ঠিকাদারকে দুর্বল কাজ করার সুযোগ করে দেন প্রকৌশলীরা। কিন্তু এবার কাজ খারাপ করলে মন্ত্রীর পরিচিত হলেও রেহাই পাবে না। ঠিকাদারের কাজের জন্য জনগণ দুর্ভোগ ভুগলে দায়ের হবে অভিযোগ, কালো তালিকাভুক্ত হবে ঠিকাদার। শুক্রবার মন্ত্রী বশিষ্ঠস্থ অসম জল কেন্দ্রে জলসম্পদ বিভাগের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম পর্যালোচনা বৈঠক করেন। অসমের প্রতিটি বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী, কার্যনির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলীর কাছ থেকে বান নিয়ন্ত্রণ, নদী ভাঙন প্রতিরোধ, মথাউরি নির্মাণের কাজের হিসাব নিলেন মন্ত্রী। বানের সময় কীভাবে কাজ হবে, ক্ষয়-ক্ষতি কীভাবে কমানো যাবে সে বিষয়েও খোঁজ নেন। পর্যালোচনা বৈঠকের শেষে মন্ত্রী বলেন, বর্ষার আগে তিনি একশোর বেশি দুর্বল মথাউরি বা বিপজ্জনক স্থান চিহ্নিত করেছেন। বর্ষা পর্যন্ত এই স্থানগুলো জোড়া-তালি দিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হবে এবং বর্ষা শেষ হলেই শুরু হবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কাজ। সংবাদ মাধ্যমের সামনে মন্ত্রী লক্ষ্য স্পষ্ট করেন, মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পাঁচ বছরে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আসতে হবে বান। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সম্পূর্ণভাবে নির্মাণ বা মেরামত করতে হবে মথাউরি। রাজ্যে এখনও প্রায় ১৭০ কিলোমিটার মথাউরি নির্মাণ বাকি আছে। তবে মন্ত্রী দাবি করেছেন, সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা যাবে না নদী ভাঙন। মোট কথা মন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশ, নিয়ন্ত্রণে আসতে হবে বান, পুরনো মথাউরি দিয়ে জল ঢুকতে দেওয়া চলবে না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *