,

‘বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে’ — মামলা জট নিয়ে উদ্বেগ সিনিয়র নাগরিক মঞ্চের

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: ‘বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে’ — সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী বরাক উপত্যকার বিভিন্ন আদালতে হাইকোর্টের নীচে প্রায় ষাট হাজার মামলা বিচারাধীন। দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রকার মামলা বছরের পর বছর চলছে, বিচার কাঁদছে নীরবে নিভৃতে। অতি প্রবীণ নাগরিকদের মামলা জীবদ্দশায় শেষ হবে কিনা কেউ বলতে পারেন না। প্রতিটি তারিখে উভয় পক্ষকে খরচ করতে…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: ‘বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে’ — সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী বরাক উপত্যকার বিভিন্ন আদালতে হাইকোর্টের নীচে প্রায় ষাট হাজার মামলা বিচারাধীন। দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রকার মামলা বছরের পর বছর চলছে, বিচার কাঁদছে নীরবে নিভৃতে। অতি প্রবীণ নাগরিকদের মামলা জীবদ্দশায় শেষ হবে কিনা কেউ বলতে পারেন না। প্রতিটি তারিখে উভয় পক্ষকে খরচ করতে হয়, আইনজীবী ও মোহরির ফি দিতে হয়, সাক্ষ্য সওয়াল হোক বা না হোক। আসা যাওয়ার ব্যয় ও কষ্ট তো আছেই। বিচার যত দীর্ঘায়িত হয় তত ব্যয় বাড়ে, তত হয়রানি বাড়ে, এমনকি অতি প্রবীণদেরও। চিকিৎসা দীর্ঘায়িত হলে রোগী যেমন ভোগে, ব্যয় বাড়ে, সেবা প্রদানকারী ও ঔষধ প্রস্তুতকারীদের লাভ হয়, বিচার ব্যবস্থাও তেমনই। এই বিষয়ের সঙ্গে উচ্চ আদালতের বেঞ্চ দাবির যোগাযোগ নেই, তবে অধ্যাপক দিলীপ কুমার দে ও তাঁর সহযোগীরা বরাকে উচ্চ আদালতের বেঞ্চ দাবির সমর্থক। জেলা ও মহকুমা স্তরে উপযুক্ত সংখ্যায় বিচারক নিয়োগ, আদালতের সংখ্যা ও পরিসর বৃদ্ধি — বিচার পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। এ নিয়ে কেউ উদ্যোগ নিলে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি। বিচার ব্যবস্থা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একজন অতি প্রবীণ নাগরিক হিসেবে সবিনয়ে কথাগুলো নিবেদন করেছেন তিনি। সক্রিয়পন্থী প্রবীণ নাগরিক মঞ্চের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দিলীপ কুমার দে এই মর্মে একটি স্মারক পত্র আসামের বিচার বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ১৯ জুন ২০২৬ তারিখে পাঠিয়েছেন। এর একটি প্রতিলিপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও গুয়াহাটি উচ্চ আদালতের নথি রক্ষকের কাছে পাঠিয়ে বরাক উপত্যকার জন্য আরও আদালত প্রতিষ্ঠার অনুরোধ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *