অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কড়াকড়ি, তফসিলি জাতি-উপজাতি-চা শ্রমিক ও প্রতিবন্ধীরা ছাড় পাবেন ২০২৭ মার্চ পর্যন্ত
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ অসম মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে রাজ্যে ১৮ বছর ও তার বেশি বয়সীদের আর সাধারণ নথিভুক্ত করার পদ্ধতিতে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র যাতে না যায় তা রুখতেই এই সিদ্ধান্ত। মন্ত্রিসভা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র নথিভুক্ত করার ওপর নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করেছে। তবে প্রতিবন্ধী, তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি ও চা বাগান এলাকার মানুষ এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। এই ছাড় ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, ১৮ বছরের নিচে বয়সীদের ওপর এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১৮ বা তার বেশি বয়সের কোনো “প্রকৃত” নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্র চাইলে তাকে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকের দপ্তরের মাধ্যমে বিশেষ যাচাই পদ্ধতির মধ্যে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে জেলাশাসককে সরকারের কাছে প্রস্তাব জমা দিতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অসমে জাতীয় পরিচয়পত্র

নথিভুক্তকরণ শতভাগ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে, কিছু জেলায় তো ১১৫ শতাংশ পর্যন্ত কার্ড দেওয়া হয়েছে। “অসমে যখন ১০০ শতাংশ জাতীয় পরিচয়পত্র সম্পূর্ণ হয়ে গেছে, তখন কারা কার্ড নিচ্ছে তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আমরা চাই না কোনো অবৈধ অনুপ্রবেশকারী জাতীয় পরিচয়পত্র পাক”, বলেন তিনি। জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার “ফাঁক” বন্ধ করাই লক্ষ্য বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একই বৈঠকে মন্ত্রিসভা রাজ্যের জন্য উন্নত ভারতের প্রতিশ্রুতি কর্মসংস্থান ও জীবিকা অভিযান গ্রামীন আইন ২০২৫-এর কাজের কাঠামোও অনুমোদন করেছে। এটি ১ জুলাই থেকে চালু হবে। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এই আইনের জন্য বাজেট বরাদ্দ ২০০০ কোটি টাকা। আইনের আওতায় সরাসরি মজুরি ভিত্তিক কাজের জন্য ১২৫ মানব-দিবস দেওয়া হবে। কাজের পাশাপাশি মানব-দিবসের মাধ্যমে সম্পদ তৈরিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।












