নাগপুরে প্রশিক্ষণ শিবিরের পর্দা নামল, মোহন ভাগবতের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করলেন শিল্পপতি-সমাজসেবী কুমার মঙ্গলম বিড়লা
বিশেষ প্রতিবেদন। নাগপুর: শতবর্ষ ছুঁয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। এক শতাব্দী ধরে দেশের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার সাক্ষ্য দিয়েই চলেছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার নাগপুরে তাদের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ শিবির শেষ হল। মঞ্চে উঠে সেই দীর্ঘ যাত্রাকেই স্যালুট জানালেন আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর কর্ণধার কুমার মঙ্গলম বিড়লা।
শিল্পপতি ও সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত বিড়লা বলেন, সময় যতই খারাপ আসুক, সংঘ কখনও মানুষের থেকে মুখ ফেরায়নি। “সংঘের আসল পুঁজি এটাই। কাজ করতে হবে পরিকল্পনা নিয়ে। দেশ তৈরি করা আর মানুষের চরিত্র তৈরি করা — এই দায়িত্ব কোনো দিন শেষ হয় না” — তার কথায় উঠে এল সেই বার্তা। পিটিআই এই বক্তব্য প্রকাশ করেছে।

ওই মঞ্চেই প্রধান অতিথি ছিলেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। বিড়লা তার সামনে দাঁড়িয়েই আজকের পৃথিবীর ছবিটা আঁকলেন। বললেন, বাইরের হাওয়া এখন প্রতিকূল। বড় দেশগুলোর রেষারেষিতে বিশ্ব টালমাটাল। কিন্তু এর মধ্যেই ভারতের জন্য সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। “এটা ভারতের সময়” — দৃঢ় কণ্ঠে জানান তিনি।
আলোচনা ঘোরালেন প্রযুক্তির দিকে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে তার ভাবনা স্পষ্ট। এআই আর স্বপ্ন নয়, একদম সামনে। এই ঢেউ অর্থনীতির নকশা বদলে দেবে। আগের যেকোনো প্রযুক্তির থেকে বেশি মানুষের জীবন স্পর্শ করবে।

বিড়লার বিশ্লেষণ — গোটা বিশ্ব যখন দোলাচলে, ভারত তখন অমৃত কালের মুখোমুখি। “এই অস্থিরতার মাঝেই আমাদের শক্তি বাড়াতে হবে। সময়টা আমাদের, কাজে লাগাতে হবে” — মন্তব্য তার।
শেষে ইতিহাসের দিকেই আঙুল তুললেন শিল্পপতি-সমাজসেবী বিড়লা। বললেন, যুগে যুগে একটাই শিক্ষা টিকে থাকে — নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখো, নিজের শক্তি নিজেই গড়ো।












