বিশেষ প্রতিবেদন: কংগ্রেসের আদিবাসী সম্মেলনে বুধবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, আর এক বছরও প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে থাকবেন না নরেন্দ্র মোদি। যে ব্যবস্থা তিনি বছরের পর বছর নিয়ন্ত্রণ করেছেন, সেই ব্যবস্থাই এখন ভেঙে পড়ছে।
রাহুল বলেন, দেশের ভেতরে একটা সংঘবদ্ধ অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। যে ব্যবস্থা একসময় মোদি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতেন, সেই ব্যবস্থার ভেতর থেকেই এখন তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য আসছে। তাঁর কথায়, ভেতর থেকে ঝাঁকুনি আসতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং তাঁদের পরিবার নিয়ে নানা তথ্য এখন তাঁর কাছে পৌঁছচ্ছে।
এরপরই বিরোধী দলনেতার বড় দাবি — “আমার হিসাব বলছে, নরেন্দ্র মোদি আর এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না।”
শুধু তাই নয়, রাহুলের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের দপ্তর থেকেও তাঁর কাছে বার্তা আসে। বিভিন্ন গোয়েন্দা ও তদন্তকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তাঁর মতে, মোদি এখন ভীষণ অস্বস্তিতে। জনরোষের ভয়ে তিনি জরুরি অবস্থার মতো কোনও পথও নিতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন রাহুল।
রাহুলের এই মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। অর্থনীতি, জ্বালানির দাম, পরীক্ষা ব্যবস্থার গোলমাল — নানা ইস্যুতে এমনিতেই সরকার চাপে। তার ওপর যদি সরকারি ব্যবস্থার ভেতর থেকেই তথ্য বাইরে আসে, তাহলে সেটা বড় ধাক্কা।
তবে প্রশ্নও উঠছে, সরকারের গোপন তথ্য এভাবে বাইরে আসা কতটা নিয়ম মেনে? এটা কি বিরোধীদের পরিকল্পিত চাল? বিজেপি বহুদিন ধরেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করে আসছে।












