ভোট পরবর্তী হিংসা ও হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে মঙ্গলবার ধরনা, রানি রাসমণি রোডের অনুমতি মেলেনি
কলকাতা। ২জুন: বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূলে মুষলপর্ব শুরু হয়েছে। একের পর এক বিধায়ক মুখ খুলছেন। ঘর ভাঙার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যেই মঙ্গলবার পথে নামেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভোট পরবর্তী হিংসা, হকার উচ্ছেদ-সহ একাধিক অভিযোগে ধরনার ডাক দেন তিনি। কিন্তু ধরনার জায়গা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। পুলিশ রানি রাসমণি রোডে অনুমতি দেয়নি। ওয়াই চ্যানেলে দু’ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলে। মমতার হুঁশিয়ারি, “পুলিশ যেখানে আটকাবে সেখানেই বসে ধরনা হবে। গ্রেপ্তার করার হলে করুন। মারলে মার খাব।”
সোমবার তিনি জানান, “তৃণমূল নেতাকর্মীদের রাস্তায় আটকে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কেউ না থাকলে আমি একাই যাব। যেখানে আটকাবে সেখানেই বসে ধরনা করব। সেটাই ধরনাস্থল হবে। বাংলায় গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে না দিলে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করব।”

রবিবার কালীঘাটে ৮০ জন বিধায়ককে ডাকলেও আসেন মাত্র ২০ জন। মঙ্গলবার ওয়াই চ্যানেলের ধরনায় মমতার সঙ্গে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অসীমা পাত্র, দোলা সেন, মদন মিত্র। বিধায়ক ছিলেন ৬ জন— নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ববি হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদ ৫ জন— ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সমাবেশ থেকে মমতা বলেন, “যতদিন বাঁচব বীরের মতো বাঁচব। জিয়েঙ্গে তো বিজেপি কো হাটাকে যায়েঙ্গে। ওরা বিধায়ক, সাংসদদের ভাঙিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।”
এদিন তারকেশ্বর থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী খোঁচা দিয়ে বলেন, “এত দূরাবস্থা! শুনলাম ৩ জন এমপি, ৬টা বিধায়ক গিয়েছে। দলটার অবস্থা ফলতার মতো হয়ে গিয়েছে।”













