,

সুধাকণ্ঠ ড.ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি কাছাড়ে, জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে সমাপ্তি অনুষ্ঠান

জনসংযোগ। শিলচর : ভারতরত্ন সুধাকণ্ঠ ড.ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবর্ষ পালন করা হলো কাছাড় জেলা জুড়ে। মঙ্গলবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন এই দিনটি পালন করে। উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত বছরব্যাপী উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে এই কিংবদন্তি শিল্পী, সুরকার, গীতিকার, কবি ও মানবতাবাদীকে স্মরণে। জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে মূল…

জনসংযোগ। শিলচর : ভারতরত্ন সুধাকণ্ঠ ড.ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবর্ষ পালন করা হলো কাছাড় জেলা জুড়ে। মঙ্গলবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন এই দিনটি পালন করে। উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত বছরব্যাপী উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে এই কিংবদন্তি শিল্পী, সুরকার, গীতিকার, কবি ও মানবতাবাদীকে স্মরণে।

জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে মূল অনুষ্ঠান

বছরব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জেলা স্তরের সমাপ্তি অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় কাছাড়ের জেলা কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিশনার রাহুল কুমার গুপ্ত, আইএএস, জেলা উন্নয়ন কমিশনার রাজীব রায়, এ.সি.এস, অতিরিক্ত জেলা কমিশনারবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক ও কর্মচারীবৃন্দ, সঙ্গে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা। সকলে ড. হাজারিকার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং সঙ্গীত, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তাঁর অপরিসীম অবদানকে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে আবেগঘন হয়ে ওঠে যখন উপস্থিত সকলে সমবেত কণ্ঠে তাঁর অমর সৃষ্টি “বিস্তীর্ণ পারের” গানটি পরিবেশন করেন, যা তাঁর মানবতা, সহানুভূতি ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

তথ্য ও জনসংযোগ কার্যালয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি

একইসঙ্গে ড.ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবর্ষ পালন করা হয় তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের বরাক উপত্যকা আঞ্চলিক কার্যালয়, শিলচরেও। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার তথা ডিডিআইপিআর-এর ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অরুণাভ চৌধুরী, এ.সি.এস এবং কার্যালয়ের আধিকারিক ও কর্মচারীবৃন্দ। ভারপ্রাপ্ত ডিডিআইপিআর অরুণাভ চৌধুরী ড. হাজারিকার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং তাঁর মানবতা, সাম্য ও সামাজিক সম্প্রীতির প্রতি অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই কিংবদন্তি শিল্পী জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বৈষম্যের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার ছিলেন এবং সঙ্গীত ও সাহিত্যের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও মানব মর্যাদার শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন। তিনি বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ড. হাজারিকার জীবন ও কর্ম থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে মানবতা, সম্প্রীতি, সহানুভূতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পথে চলার আহ্বান জানান।

সর্বত্র পালন

এছাড়াও কাছাড়ের সমস্ত সরকারি বিভাগে যথাযোগ্য মর্যাদায় ড. ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবর্ষ পালন করা হয়। জেলা জুড়ে আধিকারিক ও কর্মচারীরা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে সুধাকণ্ঠের সঙ্গীত, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজে তাঁর অতুলনীয় অবদানকে স্মরণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *