বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে হাঁটছিল। তবে গত অগস্টে দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকের পর সেই সম্পর্কে ফের টান ধরে। এখনো তারেক রহমানের দিল্লি সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।
এই টানাপোড়েনের আবহেই রবিবার ঢাকায় আশার আলো দেখাল সাংস্কৃতিক কূটনীতি। সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। সঙ্গে ছিলেন প্রতিমন্ত্রী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। বাসস জানিয়েছে, বৈঠক চলে প্রায় এক ঘণ্টা।
আলোচনার কেন্দ্রে ছিল দুই দেশের আত্মিক যোগ। মন্ত্রীর কথায়, এটা শুধু দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক নয়, আত্মার সম্পর্ক — যার ভিত গড়ে আছে ভাষা, সাহিত্য, গান ও লোকঐতিহ্যের ওপর।
বৈঠকের বড় উপলক্ষ ছিল ‘নজরুল বর্ষ’। নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী ঘিরে বাংলাদেশে যে উদযাপন চলছে, তার সঙ্গে মিলিয়ে শাস্ত্রীয় সংগীত, লোকশিল্প ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে একসঙ্গে কাজ করার কথা হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের বার্তা, যৌথ সাংস্কৃতিক কর্মসূচি ও সম্মেলন নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
ভারতের নজরুল চর্চাকারীদের বাংলাদেশের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মন্ত্রী। পাশাপাশি দুই দেশের শাস্ত্রীয় সংগীতকে যুক্ত করতে একটি নেটওয়ার্ক তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম।
কূটনৈতিক টানাপোড়েন জারি থাকলেও, সংস্কৃতি দিয়েই দিল্লি-ঢাকা দূরত্ব কমানোর চেষ্টা চলছে — রবিবারের বৈঠক সেই ইঙ্গিতই দিল।












