,

শেষযাত্রা হল বর্ষীয়ান পরিচালক রাজা সেনের, নন্দন থেকে কেওড়াতলা পর্যন্ত অশ্রুস্রোত

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। কলকাতা: রবিবার সকালে শেষ হল ‘দামু’ খ্যাত পরিচালক রাজা সেনের জীবনযুদ্ধ। দীর্ঘদিন অসুস্থতার পর এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই পরিচালক। তাঁর চলে যাওয়ায় বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নেমে এল শোকের ছায়া। কোমরে আঘাত নিয়ে প্রথমে বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের জটিলতা দেখা দেয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। কলকাতা: রবিবার সকালে শেষ হল ‘দামু’ খ্যাত পরিচালক রাজা সেনের জীবনযুদ্ধ। দীর্ঘদিন অসুস্থতার পর এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই পরিচালক। তাঁর চলে যাওয়ায় বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নেমে এল শোকের ছায়া।

কোমরে আঘাত নিয়ে প্রথমে বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের জটিলতা দেখা দেয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে গত সোমবার তাঁকে এসএসকেএমে আনা হয়। সেখানে কিডনির সমস্যাও ধরা পড়ে। যন্ত্রের সাহায্যে রাখা হলেও আর ফেরা হল না ঘরে।

পরিচালকের মরদেহ ফুল দিয়ে সাজিয়ে নন্দনে আনা হয়। সেখানেই শেষবারের মতো শায়িত ছিলেন তিনি। প্রিয় পরিচালককে শ্রদ্ধা জানাতে নন্দনে ভিড় করেন বহু শিল্পী ও কলাকুশলী। এসেছিলেন সব্যসাচী চক্রবর্তী, সঙ্গে ছিলেন গৌরব ও রিধিমা। বোন পাপিয়া সেনকে সামলাতে নাজেহাল হন সব্যসাচী। কান্না থামছিল না পাপিয়া দেবীর। স্বামীর ছবিতে মালা দেওয়ার সময় বারবার ভেঙে পড়েন তিনি। পাশে ছিলেন সোমরাজ। সমবেদনা জানাতে আসেন কৌশিক সেন ও তাঁর স্ত্রী, আসেন অঞ্জনা বসুও।

শ্রদ্ধা জানানোর পর্ব শেষে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে সম্পন্ন হয় শেষকৃত্য। পঞ্চভূতে বিলীন হলেন বাংলা ছবির আর এক কাণ্ডারি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *