,

শিলচর পুরনিগম ভোট ও গণনাকে ঘিরে ড্রাই ডে ঘোষণা, ২ থেকে ৬ অক্টোবর মদ বিক্রি-সংরক্ষণ-পরিবহণ ও মদ্যপ দ্রব্যের দখল নিষিদ্ধ

জনসংযোগ। শিলচর: আসন্ন শিলচর পুরনিগম নির্বাচনকে সামনে রেখে শিলচর পুরনিগম এলাকার জন্য ২০২৬ সালের ২ ও ৩ অক্টোবর ‘ড্রাই ডে’ ঘোষণা করেছেন অসমের রাজ্যপাল। পাশাপাশি ৬ অক্টোবর নির্ধারিত গণনার দিনেও গণনা প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হলে সেই দিনেও একই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। অসম সরকারের আবগারি বিভাগের আয়ুক্ত ও…

জনসংযোগ। শিলচর: আসন্ন শিলচর পুরনিগম নির্বাচনকে সামনে রেখে শিলচর পুরনিগম এলাকার জন্য ২০২৬ সালের ২ ও ৩ অক্টোবর ‘ড্রাই ডে’ ঘোষণা করেছেন অসমের রাজ্যপাল। পাশাপাশি ৬ অক্টোবর নির্ধারিত গণনার দিনেও গণনা প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হলে সেই দিনেও একই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

অসম সরকারের আবগারি বিভাগের আয়ুক্ত ও সচিবের কাছ থেকে পাওয়া ডব্লিউ.টি. বার্তার ভিত্তিতে, ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন-এর ১৩৫(সি) ধারা এবং ২০১৬ সালের অসম আবগারি বিধির ৩২৬(এ) বিধি অনুযায়ী এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

নির্দেশ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কোনও ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠীর কাছে মদ্যপ বা নেশাজাতীয় দ্রব্য রাখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। হোটেল, খাবারের দোকান, সরাইখানা, দোকান অথবা অন্য কোনও জায়গা তা সরকারি হোক বা বেসরকারি সেখানে মদ এবং স্পিরিটজাত, গাঁজা জাতীয় বা অনুরূপ নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি, প্রদান বা বিতরণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সেই অনুযায়ী, শিলচর পুরনিগম এলাকার অন্তর্গত সমস্ত পাইকারি ও বন্ডেড গুদাম, আইএমএফএল এবং বিয়ার খুচরো ‘অফ’ ও ‘অন’ দোকান, ক্লাবের ‘অন’ প্রতিষ্ঠান, হোটেলের ‘অন’ প্রতিষ্ঠান এবং কান্ট্রি স্পিরিটের দোকানগুলি ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার সময় বন্ধ থাকবে।

নির্দেশে নিষেধাজ্ঞার সময় মদ্যপ বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিক্রি, মজুত, পরিবহণ এবং দখলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিলচর পুরনিগমের আওতাভুক্ত সমগ্র এলাকায় এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

পুরনিগম নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য যে নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, তারই অংশ এই ‘ড্রাই ডে’-এর বিধিনিষেধ। ভোটের আগের দিন ২ অক্টোবর, ভোটের দিন ৩ অক্টোবর এবং গণনার দিন ৬ অক্টোবর গণনা প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। কোনও কারণে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে, পুনর্নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত দিনেও এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দেশ অমান্য করলে অসম আবগারি আইন ও বিধির সংশ্লিষ্ট ধারা এবং ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন-এর ১৩৫(সি) ধারার অধীনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা ও বিধিনিষেধ কার্যকর রাখার ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞাগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নির্ধারিত পুরনিগম এলাকার সর্বত্র নির্দেশ যথাযথ ভাবে কার্যকর হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *