বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। কলকাতা: কলকাতায় এই প্রথম এক মঞ্চে গ্র্যামি পুরস্কার জয়ী, পদ্মভূষণ, পদ্মশ্রী এবং সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি সম্মানে সম্মানিত শিল্পীরা অনুষ্ঠান করতে চলেছেন। থাকছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত-নৃত্যের সঙ্গে লোকব্যান্ড, আধুনিক গান, শিবমণির তালবাদ্য।
আগামী ২ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবর কলকাতার সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানের আয়োজক হিন্দুস্থান আর্ট অ্যান্ড মিউজিক। সংস্থার তরফে পণ্ডিত প্রসেনজিৎ পোদ্দার মঙ্গলবার প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ‘ভারত সংস্কৃতি উৎসব’-এর খবর দেন। তিনি বলেন, দেশে-বিদেশ মিলে আমাদের অনুষ্ঠানের সংখ্যা পাঁচশো ছাড়িয়ে গেছে। আমরা প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের পাশাপাশি নবীন প্রতিভাদেরও সুযোগ দিয়ে থাকি। সংস্থা সংস্কৃতির প্রসারে নিরন্তর কাজ করে চলেছে।
জানা গেল, সহ-আয়োজক সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৬০ জন ছাত্রছাত্রী-সহ অনেক তরুণ শিল্পী অংশ নেবেন।
বিশিষ্ট কথক শিল্পী বিদুষী মধুমিতা রায় বলেন, নবাব ওয়াজেদ আলি লখনউ থেকে যখন মেটিয়াবুরুজে এসে আশ্রয় নিলেন তখন থেকে কলকাতায় টপ্পা, ঠুংরি, গজল এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রসার শুরু হয়। দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কলকাতায় উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত-নৃত্যের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের কথা স্মরণ করে তাঁর সংযোজন, ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার এই মেলবন্ধনের প্রয়াস প্রশংসনীয় যা তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করবে।
পণ্ডিত বিক্রম ঘোষ অনুষ্ঠানের রূপরেখা এবং ফিউশনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সন্তুরবাদক পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য।
অনুষ্ঠানে প্রথম সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ মধুমিতা রায় ও তাঁর শিষ্যদের দলগত কথক নৃত্য পরিবেশনা। সন্তুরবাদক পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য এবং গ্র্যামি জয়ী বেহালাবাদক এল শঙ্কর ও তবলাবাদক পণ্ডিত বিক্রম ঘোষের সম্মিলিত ঝঙ্কার। অন্যান্য শিল্পীদের মধ্যে আছেন বেগম পরভীন সুলতানা, বিশ্বমোহন ভাট, অনুপ জালোটা, পণ্ডিত গোবিন্দ বোস, প্রীতি প্যাটেল, জয়া শীল ঘোষ প্রমুখ।












