,

ইন্দাস টাওয়ার্স এবং ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গুয়াহাটির মন্টেসরি বিদ্যালয়ে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : ইন্দাস টাওয়ার্স লিমিটেড এবং ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে গুয়াহাটির ৯ মাইলস্থিত সিআরপিএফ চত্বরের জিসি সিআরপিএফ গুয়াহাটি মন্টেসরি স্কুলে দুটি কে-ওয়াইএএন ডিজিটাল লার্নিং ডিভাইস স্থাপন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিজিওনাল সিআরপিএফ ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নীলম ধ্যানী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইন্দাস টাওয়ার্স লিমিটেডের সার্কেল সিইও (এনইএসএ)…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : ইন্দাস টাওয়ার্স লিমিটেড এবং ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে গুয়াহাটির ৯ মাইলস্থিত সিআরপিএফ চত্বরের জিসি সিআরপিএফ গুয়াহাটি মন্টেসরি স্কুলে দুটি কে-ওয়াইএএন ডিজিটাল লার্নিং ডিভাইস স্থাপন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিজিওনাল সিআরপিএফ ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নীলম ধ্যানী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইন্দাস টাওয়ার্স লিমিটেডের সার্কেল সিইও (এনইএসএ) রাজেন্দর গুরুং, ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদের মধ্যে দিব্যেন্দু দেব রায় এবং সিমরনদীপ সিং, পাশাপাশি সিআরপিএফ-এর আধিকারিকবৃন্দ, বিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্রছাত্রীরা।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল আধুনিক ডিজিটাল শিক্ষার সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে আরও আকর্ষণীয়, ইন্টার‍্যাক্টিভ এবং ভবিষ্যৎমুখী শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা। এই উদ্যোগের ফলে বিদ্যালয়ের ১১৪ জন শিক্ষার্থী উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার সুযোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও উন্নত শিক্ষার অভিজ্ঞতা লাভ করবে এবং তাদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানে রিজিওনাল সিআরপিএফ ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নীলম ধ্যানী বলেন, “প্রত্যেক শিশুরই মানসম্মত শিক্ষা এবং এমন সুযোগ পাওয়ার অধিকার রয়েছে, যা তাদের নিজস্ব সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় বিকশিত করতে সাহায্য করে। এই ডিজিটাল লার্নিং ডিভাইসগুলির সংযোজন আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ শিক্ষার পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের কৌতূহল বাড়াতে, বিষয়বস্তু আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সিআরপিএফ সম্প্রদায়ের শিশুদের শিক্ষাগত উন্নয়নে এই উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য আমরা ইন্দাস টাওয়ার্স এবং ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশনের কাছে কৃতজ্ঞ।”

শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে ইন্দাস টাওয়ার্স লিমিটেডের সার্কেল সিইও (এনইএসএ) রাজেন্দর গুরুং বলেন, “শিক্ষা সামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম এবং মানসম্মত শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য, আকর্ষণীয় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলতে প্রযুক্তির ভূমিকা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কে-ওয়াইএএন ডিজিটাল লার্নিং ডিভাইসের মাধ্যমে আমরা শ্রেণিকক্ষে আরও সমৃদ্ধ শিক্ষার অভিজ্ঞতা তৈরি করতে চাই, যা শিক্ষকদের আধুনিক ও উদ্ভাবনী শিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহারে সহায়তা করবে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলবে। ইন্দাস টাওয়ার্সে আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি শিশুরই প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশে শেখা, অনুসন্ধান করা এবং বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাওয়া উচিত। এই উদ্যোগে সহযোগিতা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষকদের পাঠ্যক্রমের বিষয়বস্তু আরও কার্যকরভাবে উপস্থাপনে সহায়তা করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিজিটাল সাক্ষরতা, অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা এবং শ্রেণিকক্ষে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। এই উদ্যোগটি ইন্দাস টাওয়ার্স, ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশন এবং সিআরপিএফ সম্প্রদায়ের শিক্ষাগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎমুখী শিক্ষার পরিবেশ তৈরির যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে, যেখানে তরুণ শিক্ষার্থীরা নিজেদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানে এক বার্তায় ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশনের হেড, হায়ার এডুকেশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক রিলেশনস সমীর শাহ বলেন, “ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশনে আমরা উদ্ভাবনী ও সহজে সম্প্রসারণযোগ্য সমাধানের মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রযুক্তি শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং কার্যকর করে তুলতে পারে এবং একইসঙ্গে শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে পারে। কে-ওয়াইএএন-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করা, শিক্ষকদের সহায়তা করা এবং শিক্ষার ফলাফল উন্নত করার চেষ্টা করি। ইন্দাস টাওয়ার্সের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে জিসি সিআরপিএফ গুয়াহাটি মন্টেসরি স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছে এই পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে এবং তাদের শিক্ষাজীবনে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

কে-ওয়াইএএন হল একটি সমন্বিত ডিজিটাল ক্লাসরুম সলিউশন, যেখানে একটি কম্পিউটার, প্রজেক্টর, অডিও সিস্টেম এবং ইন্টার‍্যাক্টিভ লার্নিং সুবিধা একটি মাত্র বহনযোগ্য ইউনিটের মধ্যে একত্রিত করা হয়েছে। মাল্টিমিডিয়া-ভিত্তিক শিক্ষাদান ও শিক্ষাগ্রহণের মাধ্যমে এই প্রযুক্তি শ্রেণিকক্ষের পাঠদানকে আরও প্রাণবন্ত, আকর্ষণীয় এবং কার্যকর করে তুলতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে কে-ওয়াইএএন ডিভাইসগুলির আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর, বিশিষ্ট অতিথিদের বক্তব্য এবং শিক্ষাদানের কার্যকারিতা ও শিক্ষার ফলাফল উন্নত করতে প্রযুক্তির রূপান্তরমূলক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *