বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : অসমের সরকারি ও প্রাদেশিকীকৃত কলেজ এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের জন্য কড়া নিয়ম আনল শিক্ষা বিভাগ। ৭০% হাজিরা না থাকলে মিলবে না কোনও সরকারি প্রকল্প বা বৃত্তির সুবিধা। মঙ্গলবার একথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. রণোজ পেগু।
কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী:
– ফি মকুব, নিজুত মইনা, নিজুত বাবু-সহ সমস্ত সরকারি প্রকল্পের জন্য ৭০% উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
– শর্ত পূরণ না করলে প্রকল্প থেকে নাম কাটা যাবে।
– কিছু কলেজ ভর্তির পর ফি মকুব দিচ্ছে না বলে অভিযোগ পেয়েছেন মন্ত্রী। তবে হাজিরা না থাকলে সুবিধা দেওয়া হবে না।
– গুজরাটে ৮০% হাজিরা বাধ্যতামূলক। অসমে ৭০% কমানোর আবেদন খারিজ করা হয়েছে।
ছাড় মিলবে কখন:
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, গুরুতর অসুস্থতা বা পরিবারে মৃত্যুর মতো বিশেষ ক্ষেত্রে অধ্যক্ষরা হাজিরার শর্তে ছাড় দিতে পারবেন।
ব্যাকলগ থাকলেও সুবিধা:
ব্যাকলগ থাকা ছাত্রছাত্রীরাও ৫০% ফি মকুবের সুবিধা পাবেন।
কেন এই কড়াকড়ি:
রাজ্যে ৫.৫ লক্ষ স্কুল পড়ুয়া ক্লাসে অনুপস্থিত থাকছে বলে রিপোর্ট এসেছে। যোরহাটে জেলা আয়ুক্তদের সম্মেলনেও ড্রপআউট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, মাধ্যমিক স্তরে ড্রপআউট কমাতে আলোচনা হয়েছে।
মন্ত্রী পেগুর আর্জি, কলেজগুলি নিয়মিত ক্লাস করাক। ক্লাস না হলে ছাত্ররা ফেল করবে এবং প্রকল্প থেকে বাদ পড়বে। এতে প্রতিষ্ঠানেরও আর্থিক ক্ষতি হবে, কারণ ফি মকুবের টাকা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের কাছে যায়।
এদিন জনজাতি বিষয়ক (সমতল) বিভাগের উদ্যোগে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ১,৬৬,১২৪ জন তফসিলি জনজাতি ছাত্রছাত্রীকে ১৯৪.৫৫ কোটি টাকার পোস্ট-ম্যাট্রিক বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।












