নতুন দিল্লি: বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করতে ভারত সরকার এখন কী করছে, রাজ্যসভায় সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন না পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। বৃহস্পতিবার উচ্চকক্ষে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সাংসদ রাজীব কুমার কয়েকটি লিখিত প্রশ্ন তোলেন। তার মধ্যে ছিল দুই দেশের সম্পর্ক, ভিসা এবং উত্তর-পূর্বের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়।
রাজীব কুমার জানতে চান, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে সরকার কী উদ্যোগ নিয়েছে, তার খুঁটিনাটি। কিন্তু মন্ত্রণালয় এই অংশের কোনো লিখিত উত্তর দেয়নি।
তিনি আরও জানতে চান, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর সঙ্গে দেশের মূল ভূখণ্ডের পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের রাস্তা ব্যবহার করে যে বিবিআইএন পরিকল্পনা আছে, তার বিকল্প কিছু ভাবা হচ্ছে কি না।
সরকারের তরফে যা বলা হল:
সম্পর্কোন্নয়নের প্রশ্নের উত্তর না দিলেও, সংযোগের কথা বলেছে মন্ত্রণালয়। জানানো হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় যোগাযোগের নানা প্রকল্প নিয়ে কথা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর-পূর্বের সঙ্গে সহজ যাতায়াত, সড়ক-রেলের উন্নতি এবং দুই দেশের ব্যবসা বাড়ানো।
ভিসা নিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে আসা প্রতিটি আবেদন আলাদা করে দেখা হয়। কাগজপত্র ও দরকার হলে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত হয়। চিকিৎসার জন্য যারা আসতে চান তাদের আবেদনকে সবার আগে দেখা হচ্ছে। আবেদন করার ৫-৬ দিনের মধ্যেই চিকিৎসা ভিসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের কাগজও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশে থাকা ভারতের ভিসা অফিসগুলো আবেদনকারীদের সাহায্য করছে। কোথাও জটিলতা থাকলে সেটাও দ্রুত মেটানোর চেষ্টা হচ্ছে।
মোট কথা: সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়ে সরকার মুখ না খুললেও, যোগাযোগ ও ভিসা সহজ করার আশ্বাস দিয়েছে।












