বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : আগামী ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার গুয়াহাটির শ্রীমন্ত শংকরদেব কলাক্ষেত্রে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি, অসম প্রদেশের বর্ধিত রাজ্য কার্যনির্বাহক সভা।
আজ দলের মুখ্য কার্যালয় বাজপেয়ী ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের মুখ্য মুখপাত্র কিশোর উপাধ্যায় এই কথা ঘোষণা করেন। এই সংক্রান্ত প্রেস বিবৃতি জারি করেছেন দলের মুখপাত্র সুরঞ্জন দত্ত।
সুরঞ্জন দত্ত স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাজ্যিক সংগঠনের আগামী কার্যপন্থা নির্ধারণ, সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করা এবং দলের বিভিন্ন স্তরের পদাধিকারী ও কার্যকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ সভা আহ্বান করা হয়েছে। এই সভা দলের সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অসমে বিজেপির জনমুখী কর্মসূচিগুলিকে আরও শক্তিশালীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
কারা থাকবেন সভায়?
বিবৃতি অনুযায়ী, সভায় উপস্থিত থাকবেন রাজ্যিক পদাধিকারী, রাজ্য কার্যনির্বাহক ও আমন্ত্রিত সদস্য, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, মোর্চার রাজ্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, মুখপাত্র ও প্যানেলিস্ট, কোষ ও বিভাগের আহ্বায়ক, জেলা প্রভারী ও জেলা সভাপতি, নিগম-নিকায়ের চেয়ারম্যান, জাতীয় পরিষদের সদস্যরা।
এছাড়াও স্বায়ত্তশাসিত পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য, জেলা পরিষদের সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ ও বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে থাকবেন ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর রাজ্য, মণ্ডল ও জেলা টিমের সদস্যরা, আঞ্চলিক পঞ্চায়েতের সভাপতি, পৌর নিগমের মেয়র ও পৌরসভার চেয়ারম্যানরা।
২৫ বছর পূর্তিতে সেবা সংকল্প অভিযান
এবারের কার্যনির্বাহক সভার মূল আকর্ষণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংসদীয় রাজনীতির ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যাত্রা শুরু করে ২০১৪ সালের ২৬ মে থেকে পরপর তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ সেবায় ব্রতী তিনি।
সেই গৌরবময় যাত্রাকে স্মরণ করে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (মোদীর জন্মদিন) থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ পালন করা হবে। এর জন্য মোট ১৩টি কর্মসূচির রূপরেখা তৈরি হয়েছে।
মুখপাত্র সুরঞ্জন দত্ত জানিয়েছেন, অভিযানের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে ১৭ সেপ্টেম্বর ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচি পালিত হবে। অসমের ৩১ হাজারেরও বেশি বুথের কর্মীরা সেদিন নিজ নিজ বাড়িতে প্রদীপ প্রজ্বলন করে প্রধানমন্ত্রীকে আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছা জানাবেন।
‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর মাধ্যমে মোদীর সেবা, সমর্পণ ও জনকল্যাণের আদর্শকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে ‘বিকশিত ভারত’ নির্মাণের সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করাই লক্ষ্য বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন সুরঞ্জন দত্ত।












