,

প্রাগজ্যোতিষ মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পাঠ পরিষদের সদস্য মনোনীত ড.সৌমেন ভারতীয়া

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি আয়োগ থেকে স্বশাসিত মর্যাদা লাভ করেছে গুয়াহাটির ঐতিহ্যবাহী প্রাগজ্যোতিষ মহাবিদ্যালয়। এই বিশেষ প্রেক্ষাপটে মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পাঠ পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও ব্যতিক্রম গোষ্ঠীর কর্ণধার ডঃ সৌমেন ভারতীয়া। মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ মনোজ কুমার মহন্ত আগামী তিন বছরের জন্য তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মনোনীত করেছেন। স্বশাসন লাভের…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি আয়োগ থেকে স্বশাসিত মর্যাদা লাভ করেছে গুয়াহাটির ঐতিহ্যবাহী প্রাগজ্যোতিষ মহাবিদ্যালয়। এই বিশেষ প্রেক্ষাপটে মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পাঠ পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও ব্যতিক্রম গোষ্ঠীর কর্ণধার ডঃ সৌমেন ভারতীয়া। মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ মনোজ কুমার মহন্ত আগামী তিন বছরের জন্য তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মনোনীত করেছেন।

স্বশাসন লাভের পর এটি বাংলা বিভাগের জন্য প্রথম পাঠ পরিষদ গঠন, তাই এই পরিষদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পরিষদেই বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পাঠক্রমকে সময়োপযোগী, কর্মমুখী ও গবেষণাধর্মী করে তোলার রূপরেখা তৈরি হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ড.সৌমেন ভারতীয়ার মতো একজন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে শিক্ষা মহল। তাঁর দীর্ঘদিনের শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা বাংলা বিভাগের শিক্ষাগত উন্নয়ন এবং স্বশাসিত শিক্ষাব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই মনোনয়ন প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ড.সৌমেন ভারতীয়া বলেন, “প্রাগজ্যোতিষ মহাবিদ্যালয়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের বাংলা বিভাগের পাঠ পরিষদের সদস্য হিসেবে আমাকে মনোনীত করার জন্য আমি অত্যন্ত আনন্দিত। স্বশাসিত মর্যাদা লাভের ফলে মহাবিদ্যালয়টির সামনে শিক্ষা ক্ষেত্রে আরও নতুন ও সৃজনশীলভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পাঠক্রমকে সময়োপযোগী করা, গবেষণার পরিসর বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি আরও গভীর আগ্রহ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্য দিয়ে যথাসম্ভব অবদান রাখার চেষ্টা করব। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য প্রাগজ্যোতিষ মহাবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *