,

প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিক আহমেদকে শেষ শ্রদ্ধা বিজেপি নেতা গৌতম গুপ্তর, হাজারো মানুষের ঢল জানাজায়

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। হাইলাকান্দি: প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিক আহমেদকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হলেন হাইলাকান্দির বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার প্রভারী তথা বিশিষ্ট সমাজকর্মী গৌতম গুপ্ত। হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে শোকাবহ পরিবেশে সম্পন্ন হয় প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রীর জানাজার নামাজ। প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষামহলের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও ঢল নামে। এদিন গৌতম গুপ্তর সঙ্গে…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। হাইলাকান্দি: প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিক আহমেদকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হলেন হাইলাকান্দির বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার প্রভারী তথা বিশিষ্ট সমাজকর্মী গৌতম গুপ্ত।

হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে শোকাবহ পরিবেশে সম্পন্ন হয় প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রীর জানাজার নামাজ। প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষামহলের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও ঢল নামে।

এদিন গৌতম গুপ্তর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী মুজিবুর রহমান বড়ভূইয়া। শোকভারাক্রান্ত পরিবেশে প্রয়াত সিদ্দিক আহমেদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তাঁরা।

তবে গৌতম গুপ্তর এই উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কারণ, রাজনৈতিক পরিচয় ও অবস্থানের ভিন্নতা থাকলেও সিদ্দিক আহমেদ ও গৌতম গুপ্তর মধ্যে দীর্ঘদিনের ছিল গভীর সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক।

রাজনীতির ময়দানের মতপার্থক্য কখনও তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং সৌজন্য, সম্মান ও মানবিকতার বন্ধনেই অটুট ছিল তাঁদের সম্পর্ক। সেই দীর্ঘদিনের স্মৃতি বুকে নিয়েই প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে জানাজার নামাজে উপস্থিত হন গৌতম গুপ্ত।

তাঁর এই উপস্থিতি যেন আরও একবার স্পষ্ট করে দিল  রাজনীতিতে মতের পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু মানবিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার জায়গা রাজনীতির অনেক ঊর্ধ্বে। প্রিয় মানুষের শেষ বিদায়ে পাশে দাঁড়িয়ে সেই মানবিকতারই বার্তা দিলেন তিনি।

সিদ্দিক আহমেদের প্রয়াণে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় তাঁর জানাজার নামাজ। শেষ হয় তাঁর পার্থিব জীবনের এক অধ্যায়। তবে মানুষের হৃদয়ে তাঁর অবদান ও স্মৃতি দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *