বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : তাজ গোষ্ঠীর নবনিযুক্ত এরিয়া ডিরেক্টর ও জেনারেল ম্যানেজার নয়ন শেঠের সঙ্গে আজ গুয়াহাটিতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ব্যতিক্রম গ্রুপের কর্ণধার ড. সৌমেন ভারতীয়া। তাজ ভিভান্তায় এই সৌজন্য সাক্ষাতে উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটন, আতিথেয়তা শিল্প এবং এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সামনে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
বৈঠকে নয়ন শেঠ বলেন, “উত্তর-পূর্ব ভারতে নতুন দায়িত্ব নিয়ে আসার পর থেকেই এই অঞ্চলের পরিবেশ, মানুষের আন্তরিকতা এবং এখানকার বৈচিত্র্য আমাকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। বিশেষ করে গুয়াহাটির প্রাণবন্ত পরিবেশ, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং সুস্বাদু স্থানীয় খাবার আমার কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মধ্যে পর্যটনের জন্য অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যতিক্রম গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে উত্তর-পূর্ব ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আগামী দিনে ব্যতিক্রমের সঙ্গে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও পর্যটনমূলক কর্মকাণ্ডে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে বলে আমি আশাবাদী। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের সম্ভাবনাকে আরও বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি।”
ব্যতিক্রম গ্রুপের কর্ণধার ড. সৌমেন ভারতীয়া বলেন, “উত্তর-পূর্ব ভারত যে শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য তা নয়, বরং তার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, সংগীত, সাহিত্য, লোকঐতিহ্য এবং বৈচিত্র্যময় খাদ্যসংস্কৃতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যটনের বিকাশের সঙ্গে যদি এই সাংস্কৃতিক সম্পদকে সঠিকভাবে যুক্ত করা যায়, তাহলে এই অঞ্চলের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যেতে পারে। তাজ গোষ্ঠীর মতো একটি স্বনামধন্য আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটন ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নানা ধরনের সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আমি আশাবাদী। ব্যতিক্রমের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উদ্যোগের সঙ্গে পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পের সংযোগ আরও সুদৃঢ় করার জন্য আমরা আগামী দিনে নতুন কিছু পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে চাই।”
সৌজন্য সাক্ষাতে উভয় পক্ষই উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পের বিকাশে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্থানীয় অভিজ্ঞতাকে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভবিষ্যতে ব্যতিক্রম ও তাজ গোষ্ঠীর মধ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও পর্যটনভিত্তিক উদ্যোগে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।












